বর্তমানে শিশুদের মধ্যে কোনটি অটিস্টিক শিশু সেটি বের করা কিছুটা কঠিন।এই রোগটি শিশু যখন খুব ছোট থাকে তখন থেকে এর আবির্ভাব ঘটে।আজকে আমরা অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানবো।যেটি জানা অন্তত জরুরি।
কোন শিশু অটিস্টিক রোগে আক্রান্ত হলে এই রোগ নিরাময় করা সহজ না।তবে বিভিন্ন প্রশিক্ষন দ্বারা শিশুর মধ্যে কিছুটা গুনগত উন্নতি সাধন করা সম্ভব। অটিস্টিক শিশু অন্যসকল শিশু থেকে আচরণগত কিংবা গুনগত দিক থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে।তাই এরকম সকল শিশুদের উপর বিশেষ নজর দেওয়া আর্বশ্যক। এই পোস্টের মাধ্যমে অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারব।
পোস্ট সূচিপত্র:অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য --অটিস্টিক শিশুদের চেনার উপায়
অটিস্টিক শিশু কাকে বলে
যে শিশু স্বাভাবিক শিশু তুলনায় অন্যরকম সাধারণত তাকে আটিস্টিক শিশু বলে।এই ধরনের শিশুর আচার আচরণ এবং গুণগত দিক স্বাভাবিকের তুলনায় ভিন্ন রকম হয়ে থাকে।বৈকল্য যে শিশুর মধ্যে দেখা তাকে অটিস্টিক শিশু বলা হয়। এদেরকে আবার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়।
অটিজম বলতে কি বুঝায়
অটিজম রোগে আক্রান্ত শিশুই হচ্ছে অটিস্টিক শিশু। অটিজম হলো মূলত এক ধরনের মস্তিষ্ক যাত সমস্যা যেটি সাধারণত মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে বাধা দিয়ে থাকে। এই মস্তিষ্ক জাত সমস্যার ফলে এরা স্বাভাবিক শিশুদের তুলনায় ভিন্ন হয়ে থাকে।অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে অনেকের আবার বিকাশমূলক সমস্যাও সৃষ্টি হয়ে থাকে।
বর্তমান সমাজের মূল শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করা। এর পাশাপাশি শিশুদের মেধা ও ব্যক্তিসত্তার পূর্ণ বিকাশ সাধন করা যাতে শিশুর তাদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে কার্যসম্পাদন করে। কিন্তু এই সকল সুবিধা অটিস্টিক শিশুদের ক্ষেত্রে খুব একটা বিকাশিত হয় না। কারণ স্বাভাবিক শিশুদের তুলনায় অটিস্টিক শিশুদের সৃজনশীলতা খুবই সীমিত হয়ে থাকে।
অটিজম হচ্ছে এক ধরনের বিকাশমূলক বৈকল্য। এ ধরনের শিশুদের পাশে সবচেয়ে বেশি পরিবারের অবদান থাকতে হয়।পাশাপাশি এই সকল শিশুদের সমাজভিত্তিক গড়ে তুলতে হয়। কারণ পরিবার এবং সমাজের সাহায্যের মাধ্যমে অটিস্টিক শিশুরা তাদের গুণগত এবং আচার-আচরণগত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করতে পারে এবং কি তাদের থেকে অনেক কিছু শিখতেও পারে।
কত বছর বয়সে অটিজমের লক্ষণ প্রকাশ পায়
অটিজম রোগে আক্রান্ত শিশুদের হার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অটিজমের হার মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের মধ্যে বেশি হয়ে থাকে। এই রোগে আক্রান্ত শিশুদের অনুপাত হচ্ছে ১ঃ৪।অর্থাৎ এই রোগটি ছেলে শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এ রোগের লক্ষণ ছোট কাল থেকেই শিশুদের মধ্যে প্রকাশিত হয়। যেমন :শিশুর বয়স যখন ২/৩ বছরের মধ্যে পড়ে তখন থেকেই অটিজম রোগের বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়। তাই শিশু যখন ২ কিংবা ৩ বছরের হবে তখন থেকে শিশুদের আচার-আচরণ এর দিকে বিশেষ ভাবে লক্ষ্য দিতে হবে এবং বিশেষ নজর স্থাপন করতে হবে।
অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য
অটিজমে আক্রান্ত সব শিশুদের মধ্যে একরকমের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় না।প্রতিটি শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন রকমের লক্ষণ দেখা দেয়।তবে এমন কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো প্রতিটি অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে কম বেশি লক্ষ্য করা যায়।যেমন-
- সামাজিক সম্পর্ক করতে পারে না
- যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না
- পুনরাবৃত্তি করা
সামাজিক সম্পর্ক করতে না পারা :অটিস্টিক শিশুরা কারো সাথে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেনা। তারা পরিচিত মুখ দেখলে হাসে না। অন্যের সাথে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। এদের মধ্যে কে কেউ আবার অন্যকে হঠাৎ আক্রমণ করে। আবার অন্য কাউকে দেখলে নিজেকে গুটিয়ে নেয়।
যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না:অটিস্টিক শিশুরা কারো সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না। অন্যের সাথে দৃষ্টি বিনিময় করে না। কেউ যদি তাদের ডাকে তখনো তাদের ডাকে সাড়া দেয় না। তাদের ভাষা ও অস্বাভাবিক হয়ে থাকে। অর্থাৎ মৌখিক কিংবা অমৌকিক যোগাযোগ করতে পারেনা।
পুনরাবৃত্তি করা :এই রোগের আক্রান্ত শিশুরা একই কাজ বারবার করে । যেমন -একটি কাজ বা খেলা বারবার খেলে। বস্তুর প্রতি অত্যাধিক মনোযোগী থাকে। তবে কোন খেলনা দিয়ে কিভাবে খেলতে হয় সে সম্পর্কে তাদের জানা থাকে না। সেই খেলনা তখন তারা অস্বাভাবিকভাবে মুখে দেয় কিংবা গন্ধ সুখে। কেউ কেউ আবার সেই খেলনা দিয়ে নিজেদেরকে আঘাত করে ।
অনেকে আবার দেয়ালে মাথা ঠোকে কারন তারা ব্যথা অনুভব করে না।তাদের শরীরের কোন জায়গায় যদি ব্যথা পায় তাহলেও সহজে ব্যথা বুঝতে পারেনা। তারা অন্য সকল শিশুদের থেকে অস্বাভাবিক হয়ে থাকে। ব্যথার অনুভূতি তাদের মধ্যে থাকে না। এই সকল বৈশিষ্ট্য অধিকাংশ অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে কমবেশি লক্ষ্য করা যায়।
অটিজমের বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ
অটিজম কে বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগে ভাগ করা হয়।এর শ্রনীবিভাগ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যেমন -
- ক্লাসিক্যাল অটিজম
- এক্সপারজার
- পিডিডিএনওএস
ক্লাসিক্যাল অটিজম :শিশুদের ভাষার অবনতি হয়ে থাকে।তাদের ভাষা বিকাশিত হয় না।যার ফলে শিশুরা সামাজিক যোগাযোগ করতে পারেনা। আবার অনেক কষ্টিস্টিক শিশুদের মধ্যে কোনো বিশেষ শব্দ বা বস্তুর প্রতি বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। স্বাভাবিক শিশুরা যেভাবে খেলা করে তারা সেভাবে খেলা করে না। তাদের খেলার ধরন অস্বাভাবিক হয়ে থাকে। তারা খেলনা দিয়ে স্বাভাবিক শিশুদের মতো খেলা করে না বরং সেই খেলনা মুখে দেয় কিংবা সেই খেলনার দিকে একাধারা তাকিয়ে থাকে।
এক্সপারজার:অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে কিছু শিশু ঘরের কোন আসবাব বা জামা কাপড় অন্যভাবে রাখা হলে তা মেনে নিতে পারে না। কোন কাজ বা খেলার প্রতি এ সকল শিশু অতিমাত্রায় আগ্রহ দেখায়। তাদের ভাষা বিকাশ ঘটলেও কথা বলার মধ্যে অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পায়। শিশুদের আবেগহীন মনে হয়। পাশাপাশি শিশুর মধ্যে যান্ত্রিকতা সৃষ্টি হয়।১৯৪৪ সালে ভিয়েনার চিকিৎসক পর্যবেক্ষণ করে দেখে যে শিশুরা স্বাভাবিক বুদ্ধি ও ভাষা ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন কিন্তু তাদের মধ্যে সামাজিক দক্ষতার অভাব প্রকাশ পায়।
পিডিডিএনওএস:পিডিডিএনওএস বা পরিব্যাপক বিকাশমূলক সমস্যা অনেক শিশুদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। এগুলো হলো অনেকগুলো অটিস্টিক লক্ষণ এর সমাহার। এটির মধ্যে সকল বিষয়ের লক্ষণই প্রকাশিত হয় যেমন -ক্লাসিকাল অটিজম ও এসপারজার এগুলো অন্তর্গত। এইরকম শিশু অনেকটা অস্বাভাবিক আচরণ করে থাকে। যদি তারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর হয় তখন তারা অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। অচেনা মানুষের কাছে তারা সহজে যেতে চায় না। এর মধ্যে কিছু শিশু আছে যারা কোন কিছু নির্দিষ্ট করে দেখতে পারেনা। তারা একই কাজ বার বার করতে পছন্দ করে যাকে পুনরাবৃত্তি বলা হয়।
পুনরাবৃত্তিকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয় যেমন-রেট সিনড্রোম আর সিডিডি। রেড সিনড্রোমে শিশুর মধ্যে যখন শৈশবকালে অটিস্টিক বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশিত হয় তখন তাদের মস্তিষ্কে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হয়। এক কথায় বিকাশমূলক বিকৃতি যেটাকে বলে।এখন দেখা দিলে শিশুরা স্বাভাবিক শিশুদের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে।অনেক সময় পেশী সঞ্চালনে ও অক্ষমতা সৃষ্টি হয়। শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে এগুলো বিপুল ভাবে বাধা সৃষ্টি করে।
সিডিডি শিশুর মধ্যে প্রায় ৯০% আত্মনিয়ন্ত্রণমূলক দক্ষতা হারায়। তারা নিজেরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। মূলত এটি তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ মূলক ক্ষমতায় বাধা সৃষ্টি করে।যেমন - নিজে খাওয়া-দাওয়া করা, নিজের জামা কাপড় নিজে গুছানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া, মলমূত্র নিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদি। সিডিডিটি এই লক্ষণটি সাধারণত দুই বছর বয়সের পরে দেখা দেয়। যার ফলে একটি অটিস্টিক শিশুর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হয়।
অটিস্টি শিশুদের আচার-আচরণ
অটিশটি শিশুদের আচার- আচরণ সকল শিশুদের মতো হয় না। তাদের আচরণে অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।কোন শিশু অটিজম রোগে আক্রান্ত কিনা তা বোঝার জন্য চিকিৎসক ধারা কিছু আচরণ চিহ্নিত করা হয় । অটিস্টিক শিশুদের আচার-আচরণের কিছু বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো -
- অটিস্টিক শিশুরা খেলনা দিয়ে অস্বাভাবিকভাবে খেলে, খেলনার গন্ধ সুখে, মুখ দিয়ে খেলনা কামড়াতে থাকে
- তারা কারো ডাকে সাড়া দেয় না
- অন্যের প্রতি কোন আগ্রহ প্রকাশ করে না
- কোন একটি খেলনা দিয়ে কিভাবে অনেকক্ষণ খেলে থাকে।
- কারো চোখে চোখ রেখে তাকায় না
- তাদের ভাষার বিকাশ হলেও ভাষাতে অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হয়।
- শরীরে ব্যথা পেলে তা অনুভব হয় না
- তারা নিজেরা নিজেদের মধ্যে গুটিয়ে থাকে
- অহেতুক অন্যজনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে
- কোন একটি বস্তুর দিকে একা দ্বারা অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকে।
কিভাবে অটিস্টিক শিশুদের শিক্ষাদান ও প্রশিক্ষন করতে হবে
যেহেতু অটিস্টিক শিশুরা স্বাভাবিক শিশুদের তুলনায় অন্যরকম তাই তাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটাও কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। অন্য সকল শিশুদের মতো তারা স্কুলেগিয়ে শিক্ষা লাভ করতে পারে না। তাদের জন্য বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাদান করা সম্ভব। এই শিক্ষাদানের ফলে অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে গুণগত এবং আচরণগত পরিবর্তন সৃষ্টি করা যায়। সঠিক শিক্ষা পেলে তারা অনেক সময় প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে।
অটিস্টিক শিশুদের কে শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের মনোযোগ সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা থাকতে হবে। তারা তাদের শিক্ষা দানের প্রতি কতটা মনোযোগ সে সম্পর্কে জানতে হবে। পাশাপাশি সঠিক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে। অটিজম শনাক্ত হওয়ার পর পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদেরকে সঠিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর ফলে তাদের আচরণে অনেক পরিবর্তন ঘটবে। শিক্ষাদান দিতে হবে সেগুলো হলো -
- অটিস্টিক শিশুদের সামাজিক শিক্ষা প্রদান করতে হবে। যাতে তারা সমাজের সাথে মিশতে পারে।
- তাদের খেলাধুলার প্রতি দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে যাতে অন্য সকল শিশুদের মধ্যে তারা স্বাভাবিক ভাবে খেলা করতে পারে।
- তাদের মস্তিষ্কে জ্ঞানীয় বিকাশ সৃষ্টি করতে হবে।
- তাদেরকে যোগাযোগ স্থাপনের বিভিন্ন মাধ্যম বোঝাতে হবে
- যেহেতু তাদের ভাষা অস্বাভাবিক তাই তাদের ভাষা বিকাশের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।
- তাদের অস্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তন করতে হবে।
- অবাঞ্চিত আচরণ করতে বাঁধা দিতে হবে।
- আত্মনিয়ন্ত্রণ শিখাতে হবে।
অটিস্টিক রোগ কি আসলে নিরাময় করা সম্ভব
শিশুদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত। অধিকাংশ শিশুদের মধ্যে কিছু ভাগ শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগের লক্ষণ ও খুব ছোট কাল থেকে প্রকাশ পায়। অটিজম রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে সাথে সাথে সেই শিশুকে সঠিক শিক্ষাদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এর মাধ্যমে তারা কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারবে। যদিও অটিস্টিক রোগ নিরাময় করা সম্ভব নয় তবে শিক্ষাদান কিংবা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন আনা যায়। অটিজম পুরোপুরি ভাবে কখনো নিরাময় করা যায় না। তাই তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের গ্রহণ করতে হয়। থেকে সকল কিছু বাস্তবিকভাবে বোঝাতে হয়।
শেষ কথা
অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো।পাশাপাশি শিশু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করতে অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে মাধ্যমে আর্টিস্টিক শিশু সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে ব্লগার মিম ওয়েবসাইটে সাথে থাকুন ধন্যবাদ।
মিম ব্লগার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url